শুক্রবার |
ঢাকা ১৭ জুলাই ২০০৯ |
২ শ্রাবণ ১৪১৬ |
২৩ রজব ১৪৩০
প্রথম পাতা
সমকাল প্রতিবেদক
সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারের আমলে ইফতার পার্টি এবং নৈশভোজের নামে টাকা নয়ছয়ের ঘটনাও ধরা পড়েছে। এক ইফতার পার্টিতেই ২ হাজার ২০০ জনের আয়োজন করে বিল তোলা হয় ৩ হাজার ৯৯১ জনের।
সাবেক স্পিকারের দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তে
গঠিত সংসদীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টে এ তথ্য পাওয়া গেছে। ২০০৬ সালের ৩ অক্টোবর ইফতার পার্টি ও নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন স্পিকার। সংসদের টাকায় আয়োজিত এ ইফতার পার্টিতে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, উপদেষ্টাবৃন্দ মিলিয়ে বিশেষ অতিথি ৭০ জনের জন্য ছিল হোটেল পূর্বাণী থেকে ইফতারের বিশেষ সরবরাহ। এছাড়া সংসদ সদস্যসহ আমন্ত্রিত অতিথি ৫৫০ জন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, সংসদ সচিবালয়ের কর্মচারী ও অতিথিদের গাড়িচালক মিলিয়ে আরও ১ হাজার ৬০০ জনের জন্য দু'ধরনের ইফতারির আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ব্যবস্থা ছিল ৬শ' জনের জন্য। ১ হাজার ৬০০ জনের জন্য মুরগির বিরিয়ানির প্যাকেটের ব্যবস্থা ছিল।
তদন্ত কমিটি সেদিনের ইফতার ও নৈশভোজের পরিশোধ করা বিল নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। দেখা গেছে, দুই ক্যাটাগরির আয়োজন থাকলেও বিল করা হয়েছে অভিন্ন দরে। তাও আবার ২ হাজার ২০০ জনের ইফতারির জায়গায় হাজী চান মিয়া অ্যান্ড সন্সকে বিল পরিশোধ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯৯১ জনের। ইফতার বাবদ বিল দেওয়া হয় ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৫০ টাকা। একই দিনে একটি বিলে ইফতার এবং নৈশভোজের বিল পরিশোধের পরিবর্তে আলাদা দুটি বিলে টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। উভয় বিলই দু'লাখ টাকার সামান্য নিচে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। এজন্য ইফতার বাবদ যতটা সম্ভব বেশি সংখ্যকের জন্য বিল করা হয়েছে বলে তদন্ত কমিটি অভিমত প্রকাশ করেছে। টাকার পরিমাণ দুই লাখ টাকার নিচে সীমাবদ্ধ রাখতে ৩ হাজার ৯৯১ জনের ইফতার পার্টিতে নৈশভোজের বিল করা হয় ১ হাজার ৪২৮ জনের। এ খাতে বিলের পরিমাণ ১ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯১ টাকা। অথচ আয়োজন করার কথা ছিল আরও কম সংখ্যকের।
তদন্ত কমিটির মতে, ইফতার, নৈশভোজ, পানি বাবদ যত বেশি সম্ভব অর্থ ব্যয় দেখানোই লক্ষ্য ছিল বলে প্রতীয়মান হয়েছে। আর সে কারণে কমিটি সুপারিশ করেছে, উত্তোলন করা অতিরিক্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকারের আমলে ইফতার পার্টি এবং নৈশভোজের নামে টাকা নয়ছয়ের ঘটনাও ধরা পড়েছে। এক ইফতার পার্টিতেই ২ হাজার ২০০ জনের আয়োজন করে বিল তোলা হয় ৩ হাজার ৯৯১ জনের।
সাবেক স্পিকারের দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তে
গঠিত সংসদীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টে এ তথ্য পাওয়া গেছে। ২০০৬ সালের ৩ অক্টোবর ইফতার পার্টি ও নৈশভোজের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন স্পিকার। সংসদের টাকায় আয়োজিত এ ইফতার পার্টিতে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, উপদেষ্টাবৃন্দ মিলিয়ে বিশেষ অতিথি ৭০ জনের জন্য ছিল হোটেল পূর্বাণী থেকে ইফতারের বিশেষ সরবরাহ। এছাড়া সংসদ সদস্যসহ আমন্ত্রিত অতিথি ৫৫০ জন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য, সংসদ সচিবালয়ের কর্মচারী ও অতিথিদের গাড়িচালক মিলিয়ে আরও ১ হাজার ৬০০ জনের জন্য দু'ধরনের ইফতারির আয়োজন করা হয়। নৈশভোজের ব্যবস্থা ছিল ৬শ' জনের জন্য। ১ হাজার ৬০০ জনের জন্য মুরগির বিরিয়ানির প্যাকেটের ব্যবস্থা ছিল।
তদন্ত কমিটি সেদিনের ইফতার ও নৈশভোজের পরিশোধ করা বিল নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। দেখা গেছে, দুই ক্যাটাগরির আয়োজন থাকলেও বিল করা হয়েছে অভিন্ন দরে। তাও আবার ২ হাজার ২০০ জনের ইফতারির জায়গায় হাজী চান মিয়া অ্যান্ড সন্সকে বিল পরিশোধ করা হয়েছে ৩ হাজার ৯৯১ জনের। ইফতার বাবদ বিল দেওয়া হয় ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৫০ টাকা। একই দিনে একটি বিলে ইফতার এবং নৈশভোজের বিল পরিশোধের পরিবর্তে আলাদা দুটি বিলে টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। উভয় বিলই দু'লাখ টাকার সামান্য নিচে সীমাবদ্ধ রাখা হয়। এজন্য ইফতার বাবদ যতটা সম্ভব বেশি সংখ্যকের জন্য বিল করা হয়েছে বলে তদন্ত কমিটি অভিমত প্রকাশ করেছে। টাকার পরিমাণ দুই লাখ টাকার নিচে সীমাবদ্ধ রাখতে ৩ হাজার ৯৯১ জনের ইফতার পার্টিতে নৈশভোজের বিল করা হয় ১ হাজার ৪২৮ জনের। এ খাতে বিলের পরিমাণ ১ লাখ ৯৯ হাজার ৯৯১ টাকা। অথচ আয়োজন করার কথা ছিল আরও কম সংখ্যকের।
তদন্ত কমিটির মতে, ইফতার, নৈশভোজ, পানি বাবদ যত বেশি সম্ভব অর্থ ব্যয় দেখানোই লক্ষ্য ছিল বলে প্রতীয়মান হয়েছে। আর সে কারণে কমিটি সুপারিশ করেছে, উত্তোলন করা অতিরিক্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত দিতে হবে। দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
রেটিং দিন :
( এই লেখাটি পড়েছেন : ৫১০৫ জন )
সম্পাদক: গোলাম সারওয়ার
প্রকাশক : এ.কে.আজাদ, ১৩৬, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
ফোন : ৮৮০২-৯৮৮৯৮২১, ৮৮০২-৯৮৮৭০৫, ৯৮৬১৪৫৭, ৯৮৬১৪০৮, ৮৮৫৩৯২৬ ফ্যাক্স : ৮৮০২-৮৮৫৫৯৮১, ৮৮৫৩৫৭৪
ই-মেইল : info@samakal.com.bd
প্রকাশক : এ.কে.আজাদ, ১৩৬, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮
ফোন : ৮৮০২-৯৮৮৯৮২১, ৮৮০২-৯৮৮৭০৫, ৯৮৬১৪৫৭, ৯৮৬১৪০৮, ৮৮৫৩৯২৬ ফ্যাক্স : ৮৮০২-৮৮৫৫৯৮১, ৮৮৫৩৫৭৪
ই-মেইল : info@samakal.com.bd
Powered By:orangebd

