ঢাকা | ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১০
চট্টলার খবর
সীতাকুণ্ডে শিপইয়ার্ড দখলের মহোৎসব
সীতাকণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
সীতাকুণ্ডে সন্ত্রাসীদের দিয়ে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের জায়গা দখল-বেদখলের মহোৎসব চলছে। গত দু'মাসে ৭টি ইয়ার্ড দখল-বেদখলের ঘটনা ঘটেছে। দখল- বেদখলকৃত ইয়ার্ডের মধ্যে রয়েছে এসএল শিপইয়ার্ড, আকিব শিপইয়ার্ড, পাখিজা শিপইয়ার্ড, এসএস শিপইয়ার্ড, তানিয়া শিপইয়ার্ড, এএন শিপইয়ার্ড। এসব ঘটনায় থানায় লিখিত একাধিক অভিযোগ-জিডি করা হলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় আদালতে ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার সোনাইছড়ি উপকূলীয় এলাকায় এসএল স্টিলের মালিকানাধীন জায়গা প্রাইম স্টিল নামে একটি শিপইয়ার্ড কোম্পানি বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে দখল করে নেয় গত ২০ জানুয়ারি। তারা প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে তাদের ইয়ার্ড নির্মাণ করার জন্য হুইলস মেশিন স্থাপনসহ অবকাঠামো নির্মাণ করে চলেছে। আর স্থানীয় প্রশাসন অবৈধ দখলদারদের প্রতিহত করা তো দূরের কথা বরং রহস্যজনক কারণে তাদের সহযোগিতা করছে বলে অভিযোগ।
চট্টগ্রাম অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়েরকৃত মিস মামলা (নং ২৭৫০/২০০৯ইং, বিজ্ঞ আদালতের স্মারক নং-৬১৮৬) পুলিশ প্রতিবেদনে উলেল্গখ করা হয়, এসএল স্টিলের মালিক আলহাজ মোঃ লোকমান উত্তর সোনাইছড়ি মৌজার ১.৭১ একর জায়গা ক্রয়সূত্রে দখলে ছিল কিন্তু সল্ফপ্রতি প্রাইম স্টিলের ডাইরেক্টর সাইফুদ্দিন মাহমুদ বাহাদুর পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দাগের ১৩ শতক জমি ক্রয় করে এসএল স্টিলের জায়গা দখল করে ইয়ার্ড নির্মাণ করছে ।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) সীতাকুণ্ড স্মারক (নং-৮৯৩/সীতা, তারিখ ০৫-০১-২০১০) মূলে জানা যায়, সীতাকু ের সাগর উপকূলীয় এলাকার ৯টি মৌজার সমুদ্র শিকস্তি ভূমি একরপ্রতি ১২ হাজার টাকা হারে লাইসেন্স ফি গ্রহণ করে জাহাজ বিভাজন এবং বিপণনের উদ্দেশ্যে অস্থায়ীভাবে ব্যবহারের নিমিত্তে একসনা লাইসেন্স প্রদান করা হয়। একসনা লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে নদী শিকস্তি ওপরের জায়গা বিএস রেকর্ডীয় মালিকরা পেয়ে থাকে। কিন্তু ওপরের জায়গা এমনকি নদী শিকস্তির অনেক জায়গা এসএল স্টিলের মালিক লোকমানের হওয়া সত্ত্বেও তাকে লাইসেন্স না দিয়ে ভূমি অফিস নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এমনকি সরকারি বন্দোবস্ত নীতিমালার প্রজ্ঞাপনকে পাশ কাটিয়ে প্রাইম স্টিল নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স প্রদান করে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শিপ ব্রেকিং শিল্প অনেক আগে শুরু হলেও ১৯৮৫ সালে লাইসেন্স প্রথা চালু হয়। ১৯৮৫ সাল থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে যেসব ইয়ার্ডের নদী শিকস্তির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে কেবল ব্যতিক্রম ঘটেছে প্রাইম স্টিলকে লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে।
অপর এক সূত্রে জানা যায়, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তা সমাধানকল্পে গত ২৩ জানুয়ারি রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলায় এক শালিসী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আলহাজ এবিএম আবুল কাসেম এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুলল্গা আল বাকের ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রউফ, ওসি মনিরুল ইসলাম, প্রাইম স্টিলের ডাইরেক্টর সাইফুদ্দীন মাহমুদ বাহদুর ও এসএল স্টিলের মালিক লোকমান উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। বৈঠকে এসএল স্টিলের মালিক জায়গার দলিলপত্র উপস্থাপন করে তার ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখলকারীদের হাত থেকে উদ্ধারের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন। প্রাইম স্টিলের ডাইরেক্টররাও ওই এলাকায় তাদের জায়গা রয়েছে বলে জানান। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো কাগজপত্র জমা দেননি । বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি উভয়পক্ষের কাগজপত্র পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এসএল স্টিলের মালিক লোকমান জানান, তার ক্রয়কৃত জায়গা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রাইম স্টিলের মালিকরা দখল করে নিয়েছেন। প্রাইম স্টিলের ডাইরেক্টর জেলা পর্যায়ের একজন ঊর্ধ্বতন সরকারী কর্মকর্তার নিকটাত্মীয় হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও ভূমি কর্মকর্তা অবৈধভাবে তাকে নদী শিকস্তি লিজ দিয়েছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
প্রাইম স্টিলের ওই ডাইরেক্টর বলেন, নদী শিকস্তি জায়গার মালিক সরকার । আর সরকার তাকে নিয়ম মেনে লিজ দেওয়ায় তিনি সেখানে ইয়ার্ড স্থাপন করছেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) খন্দকার জাকির হোসেন জানান, নিয়মনীতি মেনে লাইসেন্স ফি নিয়ে প্রাইম স্টিলকে নদী শিকস্তি জমির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এখানে কোনো অনিয়ম হয়নি। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি শালিসী বৈঠকের মাধ্যমে কার জায়গা কতটুকু কেনা সঠিক হয়েছে, তা নির্ধারণ করা হবে বলে জানান।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, জায়গা-সম্পত্তি বিরোধ আদালতের ফয়সলার বিষয়। এখানে পুলিশের করার কিছু থাকে না। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে পুলিশ তা প্রতিহত করবে।
এদিকে ২২ জানুয়ারি অপর একটি দখলের ঘটনায় আকিব এন্টারপ্রাইজ শিপইয়ার্ডের মালিক মফিজুল আলম সীতাকু থানায় মিস ম্যাক শিপইয়ার্ডের মালিক শাহীনের বিরূদ্ধে তার ইয়ার্ডে আড়াই কোটি টাকার হুইস মেশিনসহ মালামাল ও জায়গা দখল করায় এবং তাকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, বিএসবিএ-এর কাছে এ ব্যাপারে আবেদন করা হলে তারা বিষয়টি নিজেদের মাধ্যমে সমাধানের ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মিস ম্যাক শিপইয়ার্ডের মালিকও তার দখল প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছেন। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এখনও পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেননি বলে আকিব এন্টারপ্রাইজ শিপইয়ার্ডের মালিক মফিজুল আলমের অভিযোগ।
সীতাকুণ্ডে সন্ত্রাসীদের দিয়ে শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডের জায়গা দখল-বেদখলের মহোৎসব চলছে। গত দু'মাসে ৭টি ইয়ার্ড দখল-বেদখলের ঘটনা ঘটেছে। দখল- বেদখলকৃত ইয়ার্ডের মধ্যে রয়েছে এসএল শিপইয়ার্ড, আকিব শিপইয়ার্ড, পাখিজা শিপইয়ার্ড, এসএস শিপইয়ার্ড, তানিয়া শিপইয়ার্ড, এএন শিপইয়ার্ড। এসব ঘটনায় থানায় লিখিত একাধিক অভিযোগ-জিডি করা হলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় আদালতে ৪টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার সোনাইছড়ি উপকূলীয় এলাকায় এসএল স্টিলের মালিকানাধীন জায়গা প্রাইম স্টিল নামে একটি শিপইয়ার্ড কোম্পানি বহিরাগত সন্ত্রাসী দিয়ে দখল করে নেয় গত ২০ জানুয়ারি। তারা প্রভাব খাটিয়ে অবৈধভাবে তাদের ইয়ার্ড নির্মাণ করার জন্য হুইলস মেশিন স্থাপনসহ অবকাঠামো নির্মাণ করে চলেছে। আর স্থানীয় প্রশাসন অবৈধ দখলদারদের প্রতিহত করা তো দূরের কথা বরং রহস্যজনক কারণে তাদের সহযোগিতা করছে বলে অভিযোগ।
চট্টগ্রাম অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের দায়েরকৃত মিস মামলা (নং ২৭৫০/২০০৯ইং, বিজ্ঞ আদালতের স্মারক নং-৬১৮৬) পুলিশ প্রতিবেদনে উলেল্গখ করা হয়, এসএল স্টিলের মালিক আলহাজ মোঃ লোকমান উত্তর সোনাইছড়ি মৌজার ১.৭১ একর জায়গা ক্রয়সূত্রে দখলে ছিল কিন্তু সল্ফপ্রতি প্রাইম স্টিলের ডাইরেক্টর সাইফুদ্দিন মাহমুদ বাহাদুর পার্শ্ববর্তী কয়েকটি দাগের ১৩ শতক জমি ক্রয় করে এসএল স্টিলের জায়গা দখল করে ইয়ার্ড নির্মাণ করছে ।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) সীতাকুণ্ড স্মারক (নং-৮৯৩/সীতা, তারিখ ০৫-০১-২০১০) মূলে জানা যায়, সীতাকু ের সাগর উপকূলীয় এলাকার ৯টি মৌজার সমুদ্র শিকস্তি ভূমি একরপ্রতি ১২ হাজার টাকা হারে লাইসেন্স ফি গ্রহণ করে জাহাজ বিভাজন এবং বিপণনের উদ্দেশ্যে অস্থায়ীভাবে ব্যবহারের নিমিত্তে একসনা লাইসেন্স প্রদান করা হয়। একসনা লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে নদী শিকস্তি ওপরের জায়গা বিএস রেকর্ডীয় মালিকরা পেয়ে থাকে। কিন্তু ওপরের জায়গা এমনকি নদী শিকস্তির অনেক জায়গা এসএল স্টিলের মালিক লোকমানের হওয়া সত্ত্বেও তাকে লাইসেন্স না দিয়ে ভূমি অফিস নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এমনকি সরকারি বন্দোবস্ত নীতিমালার প্রজ্ঞাপনকে পাশ কাটিয়ে প্রাইম স্টিল নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স প্রদান করে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, শিপ ব্রেকিং শিল্প অনেক আগে শুরু হলেও ১৯৮৫ সালে লাইসেন্স প্রথা চালু হয়। ১৯৮৫ সাল থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে যেসব ইয়ার্ডের নদী শিকস্তির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে কেবল ব্যতিক্রম ঘটেছে প্রাইম স্টিলকে লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে।
অপর এক সূত্রে জানা যায়, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তা সমাধানকল্পে গত ২৩ জানুয়ারি রাতে সীতাকুণ্ড উপজেলায় এক শালিসী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আলহাজ এবিএম আবুল কাসেম এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুলল্গা আল বাকের ভূঁইয়া, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুর রউফ, ওসি মনিরুল ইসলাম, প্রাইম স্টিলের ডাইরেক্টর সাইফুদ্দীন মাহমুদ বাহদুর ও এসএল স্টিলের মালিক লোকমান উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। বৈঠকে এসএল স্টিলের মালিক জায়গার দলিলপত্র উপস্থাপন করে তার ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখলকারীদের হাত থেকে উদ্ধারের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন। প্রাইম স্টিলের ডাইরেক্টররাও ওই এলাকায় তাদের জায়গা রয়েছে বলে জানান। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো কাগজপত্র জমা দেননি । বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় যে, আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি উভয়পক্ষের কাগজপত্র পর্যালোচনার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এসএল স্টিলের মালিক লোকমান জানান, তার ক্রয়কৃত জায়গা প্রশাসনের সহযোগিতায় প্রাইম স্টিলের মালিকরা দখল করে নিয়েছেন। প্রাইম স্টিলের ডাইরেক্টর জেলা পর্যায়ের একজন ঊর্ধ্বতন সরকারী কর্মকর্তার নিকটাত্মীয় হওয়ায় উপজেলা প্রশাসন ও ভূমি কর্মকর্তা অবৈধভাবে তাকে নদী শিকস্তি লিজ দিয়েছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
প্রাইম স্টিলের ওই ডাইরেক্টর বলেন, নদী শিকস্তি জায়গার মালিক সরকার । আর সরকার তাকে নিয়ম মেনে লিজ দেওয়ায় তিনি সেখানে ইয়ার্ড স্থাপন করছেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) খন্দকার জাকির হোসেন জানান, নিয়মনীতি মেনে লাইসেন্স ফি নিয়ে প্রাইম স্টিলকে নদী শিকস্তি জমির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। এখানে কোনো অনিয়ম হয়নি। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি শালিসী বৈঠকের মাধ্যমে কার জায়গা কতটুকু কেনা সঠিক হয়েছে, তা নির্ধারণ করা হবে বলে জানান।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, জায়গা-সম্পত্তি বিরোধ আদালতের ফয়সলার বিষয়। এখানে পুলিশের করার কিছু থাকে না। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে পুলিশ তা প্রতিহত করবে।
এদিকে ২২ জানুয়ারি অপর একটি দখলের ঘটনায় আকিব এন্টারপ্রাইজ শিপইয়ার্ডের মালিক মফিজুল আলম সীতাকু থানায় মিস ম্যাক শিপইয়ার্ডের মালিক শাহীনের বিরূদ্ধে তার ইয়ার্ডে আড়াই কোটি টাকার হুইস মেশিনসহ মালামাল ও জায়গা দখল করায় এবং তাকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, বিএসবিএ-এর কাছে এ ব্যাপারে আবেদন করা হলে তারা বিষয়টি নিজেদের মাধ্যমে সমাধানের ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মিস ম্যাক শিপইয়ার্ডের মালিকও তার দখল প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছেন। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এখনও পর্যন্ত এ ব্যাপারে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেননি বলে আকিব এন্টারপ্রাইজ শিপইয়ার্ডের মালিক মফিজুল আলমের অভিযোগ।

